ভিটামিন- A ও সজনে পাতা
ভিটামিন- A (বিশেষ করে বিটা-ক্যারোটিন) সমৃদ্ধ ১০টি সবজি। প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা/খাদ্যোপযোগী অংশের পুষ্টিমান ধরা হয়েছে।
| ক্রম সবজির নাম ভিটামিন A/বিটা-ক্যারোটিনের উৎস অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি |
১. গাজর খুব বেশি ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন K
২. পালং শাক খুব বেশি আয়রন, ফোলেট, ভিটামিন C, K
৩. মিষ্টি আলু খুব বেশি কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, পটাশিয়াম |
৪. সজনে পাতা খুব বেশি প্রোটিন,ক্যালসিয়াম,আয়রন, পটাশিয়াম,
ভিটামিন A, C, ফাইবার
৫. লাল শাক বেশি আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফোলেট
৬. কলমি শাক বেশি আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার
৭. মিষ্টি কুমড়া বেশি ফাইবার, পটাশিয়াম, ভিটামিন C
৮. সরিষা শাক বেশি ক্যালসিয়াম, ভিটামিন C ও K
৯. ব্রোকলি মাঝারি ভিটামিন C, K, ফোলেট, ফাইবার
১০. পুঁই শাক মাঝারি আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফাইবার
ভিটামিন A-এর উপকারিতা: চোখের স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, ত্বক ও শরীরের কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
সবচেয়ে ভালো ৫টি: গাজর, পালং শাক, মিষ্টি কুমড়া, মিষ্টি আলু ও লাল শাক—নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে ভিটামিন A-এর ভালো উৎস হতে পারে।
টিপস: সজনে পাতা ও সজনে ডাঁটা—দুটিই পুষ্টিকর, তবে সজনে পাতা পুষ্টিমান বিশেষভাবে বেশি। বিটা-ক্যারোটিনযুক্ত সবজি অল্প তেলের সঙ্গে রান্না করলে শরীরের শোষণ ভালো হতে পারে।
ভিটামিন – A শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন – A প্রধান উপকারিতা গুলো হলো—
1. দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে — চোখের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও রাতের দৃষ্টি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
2. শরীরের সংক্রমণের বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
3. কোষের বৃদ্ধি ও বিকাশে ভূমিকা রাখে
4. শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ
5.ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে
6.শ্বাসনালির আবরণ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে
7.হাড়ের স্বাভাবিক বিকাশে সহায়তা করে
8.প্রজনন স্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখে— নারী ও পুরুষ উভয়ের স্বাভাবিক প্রজনন কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয়।
9. ত্বক ও শ্লেষ্মা আবরণকে সুরক্ষায় সাহায্য করে
10. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুরক্ষায় সহায়তা করতে পারে
